Saturday, January 25, 2020

‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০’। ছবিগুলো তুলেছেন তন্ময় মির্জা।

মুক্তি পেল ‘ক্যাম্পাস ক্লাইম্যাক্স’

মুক্তি পেল ‘ক্যাম্পাস ক্লাইম্যাক্স’


বিশ্ববিদ্যালয় জীবন নিয়ে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ক্যাম্পাস ক্লাইম্যাক্স’ মুক্তি পেয়েছে ইউটিউবে।
নির্মাতা জিৎ দে জানান, এতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সামগ্রিক জীবন আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি। প্রেম থেকে শুরু করে বন্ধুত্ব, ক্লাসের পড়াশোনা, গণরুমে থাকা, চাকরি-বাকরি নিয়ে হতাশা। সব কিছু অল্প অল্প করে হলেও স্পর্শ করে গেছি পুরো ছবিতে।
শুক্রবার ইউটিউবে ছবিটি মুক্তির পর প্রশংসা পাচ্ছেন নির্মাতাসহ পুরো টিম। নির্মাতা জানান, চলচ্চিত্রটির কাজ শুরু হয়েছিলো প্রায় তিন বছর আগে। কিন্তু অর্থাভাবে বিভিন্ন সময় থেমে গিয়েছিলো ছবির কাজ। কিন্তু হতাশ না হয়ে সবার সহায়তায় চলচ্চিত্রটি সম্পন্ন হয়েছে। অনেক সময় নিজেদের খাওয়ার টাকা বাঁচিয়ে ছবির কাজ এগিয়ে নিয়ে গেছি। পুরো চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন রাজিব আল রুদ্র, শুভ্র সরকার ও ফারহা দিবা লাবন্য। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বিডি-প্রতিদিন/ফারজানা

Friday, January 10, 2020

পর্বত-বিষয়ক চলচ্চিত্র উৎসব

স্টার অনলাইন রিপোর্ট
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পর্বত-বিষয়ক চলচ্চিত্র উৎসব ‘ঢাকা মাউন্টেইন ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০২০’।
আজ ১০ জানুয়ারি নীলক্ষেতের ‘রুহুল কুদ্দুস মিলনায়তনে’ উৎসবটি আয়োজন করবে পাহাড়-পর্বত বিষয়ক কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম ‘অদ্রি’।
দিনব্যাপী উৎসবে বিভিন্ন দেশের আটটি অ্যাডভেঞ্চার ও আউটডোর স্পোর্টস ঘরানার চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকরা জানিয়েছেন, দুই পর্বে বিভক্ত উৎসবটি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। বিরতির পর তা আবার শুরু হবে বিকাল সাড়ে ৪টায় এবং চলবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
সকালের পর্বে দেখানো হবে ‘১২১’, ‘হর্স পিস্ত’, ‘সেফ হেভেন’ এবং ‘দিস মাউন্টেইন লাইফ’। বিকালে দেখানো হবে ‘রিটার্ন টু আর্থ’, ‘দ্য হাই রোড’, ‘দ্য নোজ স্পিড রেকর্ড’ এবং ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব জো’স’।
প্রতি পর্বের জন্যে প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা।

সোনালি যুগের জনপ্রিয় নাটক

বাংলাদেশের টিভি নাটকের রয়েছে সুন্দর সোনালি অতীত। কলকাতার আগে এদেশে টেলিভিশন নাটকের সম্প্রচার শুরু হয়। একটা সময় এদেশের টিভি নাটকের অন্যরকম চাহিদা ছিলো। বিনোদনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিলো টিভি নাটক।
বিটিভির ডিআইটি ভবন থেকে এক সময় সরাসরি নাটক সম্প্রচার করা হতো। তখনকার নাটক মানেই তুমুল জনপ্রিয়তা। নাটকের জন্য রাজপথে মিছিল পর্যন্ত হয়েছিলো। সোনালি দিনের নাটক প্রচারের সময় রাস্তা ফাঁকা হয়ে যেতো। এতোটাই নাটকের দর্শক ছিলো এক সময়।
সেসব নাটকের কথা এখনো অনেকের কাছে শুনতে পাওয়া যায়।
সেসব নাটকের তালিকা করলে প্রথমেই চলে আসে- ‘সংশপ্তক’, ‘মাটির কোলে’, ‘জোনাকী জ্বলে’, ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’, ‘অয়োময়’ ও ‘বহুব্রীহি’। আরও কতো নাটকের নামই তো রয়েছে। জানা যাক সেসব নাটকের উপাখ্যান।
তখনকার নাটকের সংলাপও মানুষের মুখে মুখে ফিরতো। ‘বহুব্রীহি’ নাটকের ‘তুই রাজাকার’ সংলাপটি এক সময়ে মানুষের মুখে মুখে ফিরতো। ‘তুই রাজাকার’ সংলাপটি টিয়ে পাখির মুখ দিয়ে বলানো হয়েছিলো টিভি নাটকে। ‘বহুব্রীহি’ নাটকটি প্রচার হওয়ার পর বলতে গেলে রাজাকারদের প্রতি নতুন করে প্রবল ঘৃণার জন্ম হয়। নাটকটিতে যারাই অভিনয় করেছিলেন, পেয়েছিলেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা।
‘বহুব্রীহি’ নাটকের নাট্যকার হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ পেয়েছিলেন একইভাবে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন নওয়াজীশ আলী খান।
সোনালি দিনের জনপ্রিয় নাটকের নামের তালিকার কথা উঠতেই প্রথমে জোরেসোরে উঠে আসে ‘সংশপ্তক’র নাম। বিটিভির ইতিহাসে এই নাটকটির জনপ্রিয়তা ছিলো শীর্ষে। এই নাটকে ফেরদৌসী মজুমদার ও হুমায়ুন ফরীদির অভিনয়ের কথা এখনো মনে রেখেছেন অনেকে। হুমায়ুন ফরীদি এই নাটকে ‘কানকাটা রমজান’ চরিত্রে এবং ফেরদৌসী মজুমদার ‘হুরমতি’ চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছিলেন। এছাড়াও, খলিলউল্লাহ খলিল ‘মিয়ার বেটা’ চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।
‘সংশপ্তক’ নাটকটি শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস থেকে নাট্যরূপ দিয়েছিলেন ইমদাদুল হক মিলন। প্রযোজনা করেছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন।
আরও একটি নাটকের নাম উঠে আসে বেশ ভালোভাবেই। সেটি হলো- ‘মাটির কালে’। নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন মুসা আহমেদ। মিষ্টি মেয়ে খ্যাত চলচ্চিত্র নায়িকা কবরী এই ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে দিয়ে প্রথমবার কোনো দীর্ঘ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন।
‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের কথা কি সেই সময়ের দর্শকরা ভুলতে পেরেছেন? মনে হয় ভুলতে পারেননি। ভুলে যাওয়াও সম্ভব না। নাটকটির নাট্যকার ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। এটি প্রযোজনা করেছিলেন বরকত উল্লাহ। একটি নাটকের চরিত্র দর্শকদের কাছে কতোটা আপন হতে পারে তা বুঝি ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের বাকের ভাই চরিত্রটি দেখলেই টের পাওয়া যায়। বাকের ভাইয়ের যখন ফাঁসি হবে তখন এদেশের শত-শত মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন মিছিল করার জন্য, যাতে বাকের ভাইয়ের ফাঁসি না দেওয়া হয়।
টেলিভিশন নাটকের ইতিহাসে ‘কোথাও কেউ নেই’ একটি মাইলফলক।
‘এই সব দিনরাত্রি’ ধারাবাহিকটির কথাই বা বাদ যায় কী করে? সৌভাগ্যবশত এই নাটকটির নাট্যকারও ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। বোধকরি বাংলাদেশের টিভি নাটকের ইতিহাসে নাট্যকার হিসেবেও সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। ‘এইসব দিনরাত্রি’ নাটকের শিমু ভাবীর চরিত্রটি ওই সময়ে বহু মানুষের স্বপ্নের একটি চরিত্র ছিলো। শিমু ভাবীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ডলি জহুর। সেসময় ডলি জহুরকে অনেকেই শিমু ভাবী নামেই ডাকতেন।
‘জোনাকী জ্বলে’ ধারাবাহিকটিও ছিলো টেলিভিশন নাটকের ইতিহাসে অনেক আলোচিত। জিয়া আনসারী প্রযোজনা করেছিলেন নাটকটি।
ইমদাদুল হক মিলনের লেখা ‘রূপনগর’ টেলিভিশন নাটকের ইতিহাসে আরও একটি সফল, আলোচিত এবং জনপ্রিয় নাটক। নাটকটির “ছিঃ ছিঃ মাস্তানরা এতো খারাপ” সংলাপটি সেসময় ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। এখানে অভিনয় করে অনেক শিল্পীই তারকা বনে যান। খালেদ খান নতুনভাবে দর্শকদের সামনে আসেন ‘রূপনগর’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। তৌকীর আহমেদ তখন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।
ইমদাদুল হক মিলনের ‘বারো রকম মানুষ’ ধারাবাহিকটিও সে সময় দর্শকদের মনে দারুণভাবে দাগ কাটে। নাটকটিতে সুবর্ণা মুস্তাফা অভিনয় করেছিলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।
‘ভাঙনের শব্দ শুনি’ও সেসময়ের নাটকগুলোর মধ্যে আলোচিত। এই নাটকে সেরাজ তালুকদারের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন খলিল। নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন নাসিরউদ্দিন ইউসুফ।
‘সকাল সন্ধ্যা’ সেসময়ের আলোচিত ও উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে অন্যতম। নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন বরকতউল্লাহ। নাট্যকার ছিলেন মমতাজ বেগম। ‘সকাল সন্ধ্যা’য় অভিনয় করে তখন অনেকেই তারকা বনে গিয়েছিলেন। আজকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপি করিম ‘সকাল সন্ধ্যা’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন।
নাট্যজন মামুনুর রশীদের লেখা দুটি ধারাবাহিক নাটক সেসময় বেশ আলোচিত হয়। একটি নাটকের নাম ‘সময় অসময়’, আরেকটি নাম ‘স্বপ্নের শহর’। নাটক দুটি প্রযোজনা করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।
‘কোন কাননের ফুল’ নাটকটিও দর্শকদের মাঝে আলোড়ন তুলেছিলো। এটি প্রযোজনা করেছিলেন ফখরুল আবেদীন দুলাল।
‘দিনরাত্রির খেলা’, ‘বেলা অবেলা’ সেসময়ের জনপ্রিয় দুটি ধারাবাহিক নাটক।
প্যাকেজ নাটক প্রচার শুরু হওয়ার পর এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেল আসার পরও কিছু কিছু ধারাবাহিক নাটক বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে, সোনালি দিনের টিভি নাটকের কথা সবচেয়ে বেশি মনে রেখেছেন দর্শকরা।

Daily Star

Thursday, January 2, 2020

লালনের গান আমার আত্মার খোরাক

The Daily Samakal




লালনের গান আমার আত্মার খোরাক
ফরিদা পারভীন
নন্দিত কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন। লালন সাঁইয়ের গান তিনি পৌঁছে দেন দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তে। সেই সুবাদে পেয়েছেন অগণিত সংগীতপ্রেমীর ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাকে পুঁজি করে গানে গানে তিনি পেরিয়েছেন পাঁচ দশকের পথ। এই দীর্ঘ পথপরিক্রমা ও শিল্পীজীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে-
শিল্পীজীবনের ৫০ বছর পূর্ণ হলো। কেমন ছিল পাঁচ দশকের এই দীর্ঘ পথচলা?
কতশত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘ সময় কেটেছে, তা এক কথায় বলে বোঝানো যাবে না! ১৯৬৮ সালে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল। এরপর পেরুতে হয়েছে অনেক চড়াই-উতরাই। পারিবারিক সূত্রেই গানের ভুবনে আসা। গানের প্রতি বাবার ভক্তি ছিল প্রগাঢ়। দাদিও গান করতেন। বাবার চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়েছে আমাকে। শৈশবে যখন মাগুরায় ছিলাম, তখন ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে সংগীতের হাতেখড়ি হয়। এরপর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তালিম থেকে দূরে থাকিনি। নানা ধরনের গান করলেও শিল্পীজীবনে পরিচিতি, জনপ্রিয়তা, অগণিত মানুষের ভালোবাসা মূলত লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে। যখন থেকে লালনের গান গাওয়া শুরু হয়েছিল, তারপর আর তা থেমে থাকেনি। আজ গাইছি এবং লালনের গান আমার আত্মার খোরাক হয়ে উঠেছে। তার গান গাইতে গাইতে কখন যে সংগীতে ৫০ বছরের দীর্ঘপথ পেরিয়ে এসেছি, বুঝতেই পাইনি। এ জন্য সবসময় ফকির লালন সাঁইকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং প্রতিনিয়ত তার গানের চর্চা ধরে রাখার চেষ্টা করি। এ জন্য ৫০ বছর পরেও সংগীত ভুবনে পথচলার সময়টা মনে হয় পাঁচ বছরের। তাই এখনও শিখছি।

৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি আয়োজনও ছিল-
হ্যাঁ, ১৯৬৮ সালে আমার যাত্রা শুরু। সেই হিসাবে ৫১ বছর হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মঞ্চে আমার সংগীতে ৫০ বছর পূর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করেছে লালন রিসার্চ অ্যান্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা স্মারক দেওয়া হয়েছে আমাকে। সংগীতজীবন নিয়ে আলোচনা, একক সংগীতানুষ্ঠানও হয়েছে। আমাকে নিয়ে এর আগে কেউ এমন উদ্যোগ নেয়নি। এটি আমার জন্য একটি বড় পাওয়া। এ আয়োজনের জন্য সংগঠনটির নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ৩১ ডিসেম্বর আমার ৬৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। তার আগের দিন আমার সংগীতে ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ভালোই লেগেছে।

শুরুতে নজরুলসংগীত, পরে আধুনিক গান দিয়ে আপনার যাত্রা শুরু। কিন্তু ক্যারিয়ারের ৯০ শতাংশ সময় কেটেছে লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে। এটা কীভাবে সম্ভব হলো?
এটা হয়েছে নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে। কুষ্টিয়ায় স্থানীয় এক হোমিও ডাক্তার আমার গানের বেশ মুগ্ধ শ্রোতা ছিলেন। কিন্তু কেন জানি, তিনি আমার কণ্ঠে লালনগীতি শুনতে চাইতেন। তার মনে হতো, লালনের গান আমার কণ্ঠে বেশি ভালো লাগবে। তাই হঠাৎ করেই আমাকে একদিন লালন ফকিরের গান শেখার পরামর্শ দেন। কিন্তু শুরুতে লালনের গান গাইতে চাইনি। আমার এই অনীহা দেখে বাবা আমাকে অনেক বুঝিয়ে গান শেখার জন্য রাজি করান। বলেন, ভালো না লাগলে গাইবি না। এই শর্তে রাজি হই এবং লালনসংগীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব মকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে তালিম নেওয়া শুরু করি। 'সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন'- লালনের ওই বিখ্যাত গানটি শিখি। একই বছর দোলপূর্ণিমা উৎসবে এ গানটি গাইলে শ্রোতারা আমাকে লালনের আরও একটি গান গাইতে অনুরোধ করেন। তখন আমি গান গাইতে অসম্মতি জানাই। শ্রোতাদের বলি, আমি একটি গান গাইতে শিখেছি। এটাই ভালোভাবে গাইতে চাই। এ গানই আমার নতুন পথের দিশা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বুঝতে শিখি, কী আছে লালনের গানে। তার গানে মিশে থাকা আধ্যাত্মিক কথা ও দর্শন আমাকে ভাবিয়ে তোলে। এ পর্যায়ে অনুভব করি, লালন তার সৃষ্টির মধ্য দিয়ে অনবদ্য এক স্রষ্টা হয়ে উঠেছেন। এটা বোঝার পর লালনের গান ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারি না।

সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক স্মরণীয় স্মৃতি আছে। বিশেষ কোনো ঘটনার কথা বলবেন?
১৯৭৩ সাল। বিভিন্ন আখড়া থেকে বাউল শিল্পীদের ঢাকায় এনে লালনের গান রেকর্ডের পরিকল্পনা করেন ওস্তাদ মকছেদ আলী সাঁই। তিনি তৎকালীন রেডিওর ট্রান্সক্রিপশনে কর্মরত ছিলেন। তার আমন্ত্রণে ঢাকায় রেডিওতে আসি। এ সময় স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন আবদুল হামিদ চৌধুরী, কমল দাশগুপ্ত, সমর দাস, কাদের জমিলির মতো বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞরা। খুব ভয় হয়েছিল। তাদের সামনে আমাকে গাইতে হলো। ১৫ মিনিটের একক সংগীতানুষ্ঠান করে তাদের প্রশংসা পেয়েছিলাম। এটিই আমার অন্যতম স্মরণীয় স্মৃতি।

লালনের কোন দিকটি আপনি বেশি ধারণ করেন?
লালন দর্শনের মূল কথা- মানুষকে মানুষ হয়ে চলার দর্শন। মানুষকে মানুষ হয়ে চলার অর্থ মনুষ্যত্বগুণে গুণী হওয়া। এ জন্য তিনি সর্বদা সত্য বলা এবং সুপথে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। এটাই আমি মনেপ্রাণে ধারণ করি।

ফরিদা পারভীন ফাউন্ডেশনের কাজ কেমন চলছে?
বাঙালি সংস্কৃতির মানবিকতাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটাতে ফাউন্ডেশনটি তৈরি করেছি। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী কর্মকাণ্ড ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে লালন সাঁইয়ের গানের শুদ্ধ উচ্চারণ ও স্বরলিপি তৈরির কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ২৫টি লালনগীতির স্বরলিপি বই আকারে প্রকাশ করেছি। কিছুদিনের মধ্যে আরও ২৫টি গানের স্বরলিপি বই আকারে প্রকাশ করব। এর নাম দিয়েছি 'অচিন পাখি দ্বিতীয় খণ্ড'। এ ছাড়া আমার কাছে লালন শাহের অসংখ্য প্রকাশিত গান ও সিডি রয়েছে। এগুলো নিয়ে লালন সংগ্রহশালা তৈরি করেছি, যা রক্ষণাবেক্ষণ করছে ফরিদা পারভীন ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনটি শুধু লালনের গান সংরক্ষণ কিংবা প্রচারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রাচীন লোকজ গান সংরক্ষণ, শিক্ষা ও উন্নয়নমুখী নানা কাজে ফাউন্ডেশনের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে গরিব বাউলদের পাশে থাকবে সংগঠনটি।

লালনের গান নিয়ে নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা ফিউশন করছেন। এ ধরনের গানের কি শুদ্ধতা থাকছে?
অনেকে এখন না বুঝেই লালনের গান করছে। এতে ফিউশনের নামে তারা কনফিউশন করছে। টিভি চ্যানেলগুলো তাদের গান হরহামেশাই প্রচার করছে। এ বিষয়ে চ্যালেনওয়ালাদের আরও যত্নবান হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের উদ্দেশে কী বলবেন?
সংগীত গুরুমুখী বিদ্যা। লালনের বাণী হলো, মূলত লালনের কালাম। লালনের আখড়ার ভাবশিষ্যরা অন্তত তাই ভেবে থাকেন। লালনের গানে রয়েছে আধ্যাত্মিকতা। লালনসংগীত পরিবেশনের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। লালনসংগীতের বাণী মাহাত্ম্য লোকসুর তথা বাউল সুরের ঐন্দ্রজালিক আবেগ সুমধুর কণ্ঠের আবেগময় পরিবেশনার মাধ্যমে হৃদয়গ্রাহী হয়ে ওঠে। লোকসংগীতর মৌল ধর্ম হচ্ছে আঞ্চলিক পরিভাষা। লালনের সব সৃষ্টির মধ্যেই কুষ্টিয়া জেলার আঞ্চলিক ভাষার বিশেষ প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। তাই যিনি লালনসংগীত পরিবেশন করবেন তাকে উচ্চারণের বিষয়ে জোর দিতে হবে। লালনসংগীত বাউল শ্রেণির লোকসংগীত। কাজেই লোকগীতির আঞ্চলিক ধর্ম সম্পর্কে সজাগ থেকেই লালনসংগীত পরিবেশন করতে হবে। লালনগীতি গাইতে হলে আত্মনিবেদন করতে হয়।

সংগীতজীবনের সেরা অজর্ন কী?
কাজের জন্য জীবনে 'একুশে পদক', জাপানে 'ফুকওয়াকা' পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছি। এর চেয়ে বড় অর্জন হলো মানুষের ভালোবাসা। মানুষের ভালোবাসার ডানায় ভর করে আমি আজীবন বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখি।

আজ মা-বাবার কাছে ফিরবেন আরিয়ান।

ছেলেকে আর্থার রোড জেল থেকে বের করে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন শাহরুখ। দেশের বড় আইনজীবীদের নিযুক্ত করেছিলেন তিনি। কারণ, এর আগে নিম্ন আদালতে আরি...